বড় স্টেকের খেলোয়াড়দের জন্য তৈরি একটি সম্পূর্ণ আলাদা অভিজ্ঞতা — উচ্চ সীমার বাজি, ব্যক্তিগত সেবা এবং এমন সুবিধা যা অন্য কোথাও নেই।
আপনার বেটিং ভলিউম অনুযায়ী নিজেকে উন্নীত করুন এবং বাড়তি সুবিধা আনলক করুন
vb66 তার প্রিমিয়াম সদস্যদের যা দেয়, তা সত্যিই অনন্য
গোল্ড ও ডায়মন্ড টায়ারের প্রতিটি সদস্যকে একজন ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার দেওয়া হয়। যেকোনো প্রশ্ন, অভিযোগ বা বিশেষ অনুরোধ — সবকিছু সরাসরি তাঁর মাধ্যমে সমাধান করা যায়। সাধারণ সাপোর্ট লাইনে অপেক্ষা করতে হয় না।
vb66-এর হাই রোলার প্রোগ্রামে ক্যাশব্যাক শুধু কথার কথা নয়। সাপ্তাহিক নেট লসের উপর ভিত্তি করে সিলভারে ৮%, গোল্ডে ১৫% এবং ডায়মন্ডে ২০% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক সরাসরি অ্যাকাউন্টে জমা হয় — কোনো জটিল শর্ত ছাড়াই।
বড় অঙ্কের জয় মানে সময়মতো পাওয়াটা জরুরি। ডায়মন্ড রোলাররা মাত্র ৩ ঘণ্টায় উইথড্রয়াল পান। গোল্ড সদস্যরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পান। বিকাশ, নগদ বা ব্যাংক ট্রান্সফার — যেকোনো পদ্ধতিতে।
সাধারণ সদস্যদের মতো সীমাবদ্ধতায় খেলতে হবে না। হাই রোলার সদস্যরা তাদের নিজস্ব বেটিং লিমিট নির্ধারণ করতে পারেন — গেম ক্যাটাগরি অনুযায়ী ম্যানেজারের সাথে আলোচনা করে। বড় ম্যাচে বড় বাজি ধরার সুযোগ এখানেই।
vb66 নিয়মিত হাই রোলারদের জন্য আলাদা টুর্নামেন্ট আয়োজন করে যেখানে প্রাইজপুল সাধারণ টুর্নামেন্টের কয়েকগুণ বেশি। বিশ্বকাপ বা আইপিএলের সময় বিশেষ ভিআইপি বেটিং ইভেন্ট সদস্যদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হয়।
vb66 তার হাই রোলারদের শুধু একটি অ্যাকাউন্ট নম্বর হিসেবে দেখে না। জন্মদিন, ঈদ বা বিশেষ উপলক্ষে গোল্ড ও ডায়মন্ড সদস্যরা ব্যক্তিগতকৃত উপহার ও বোনাস পেয়ে থাকেন।
একনজরে দেখুন কোন টায়ারে কী কী পাবেন
| সুবিধা | সিলভার | গোল্ড | ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|
| ক্যাশব্যাক হার | ৮% | ১৫% | ২০% |
| উইথড্রয়াল সময় | ৪৮ ঘণ্টা | ২৪ ঘণ্টা | ৩ ঘণ্টা |
| ডেডিকেটেড ম্যানেজার | — | ||
| কাস্টম বেটিং লিমিট | — | ||
| প্রাইভেট টেবিল | — | — | |
| এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট | — | ||
| জন্মদিনের উপহার | — | ||
| বার্ষিক পুরস্কার প্যাকেজ | — | — |
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং যখন থেকে জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে, তখন থেকেই একটা প্রশ্ন ছিল: যারা সিরিয়াসলি খেলেন, যারা বড় স্টেকে বাজি ধরেন, তাদের জন্য কি আলাদা কোনো সুবিধা আছে? vb66 সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে তার হাই রোলার প্রোগ্রামের মাধ্যমে।
হাই রোলার বলতে সাধারণত যারা নিয়মিত বড় অঙ্কের বাজি ধরেন তাদের বোঝায়। কিন্তু vb66-এর দৃষ্টিতে হাই রোলার হওয়া মানে শুধু অনেক টাকা খরচ করা নয়। এটা একটা কমিটমেন্ট — প্ল্যাটফর্মের প্রতি, গেমের প্রতি এবং নিজের কৌশলের প্রতি। সেই কমিটমেন্টের পুরস্কার দিতেই vb66 তৈরি করেছে তার তিন স্তরের ভিআইপি সিস্টেম।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট বা রাজশাহী — দেশের নানা প্রান্তের অভিজ্ঞ গেমাররা vb66-এর হাই রোলার প্রোগ্রামকে পছন্দ করছেন কয়েকটি বিশেষ কারণে। প্রথমত, স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতিতে বড় অঙ্কের লেনদেন সহজে করা যায়। বিকাশে ৫ লাখ টাকা পাঠানো বা নগদে বড় উইথড্রয়াল — সবই সুরক্ষিতভাবে সম্পন্ন হয়।
দ্বিতীয়ত, vb66 বাংলায় সাপোর্ট দেয়। ডায়মন্ড বা গোল্ড সদস্যের ব্যক্তিগত ম্যানেজার বাংলায় কথা বলেন, বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী পাওয়া যান। ইংরেজিতে কষ্ট করে বোঝাতে হয় না — এটা অনেক সদস্যের কাছে সবচেয়ে বড় সুবিধা।
তৃতীয়ত, vb66-এর ক্যাশব্যাক সিস্টেম স্বচ্ছ। কোনো লুকানো শর্ত নেই, কোনো ওয়েজারিং রিকোয়ারমেন্ট নেই ক্যাশব্যাকের উপর। সপ্তাহ শেষে যা ক্যাশব্যাক প্রাপ্য, সেটা সরাসরি ব্যালেন্সে আসে এবং তাৎক্ষণিক উইথড্র করা যায়।
প্রক্রিয়াটা আসলে অনেক সহজ। vb66-এ অ্যাকাউন্ট থাকলে আপনার মাসিক ডিপোজিট ও বেটিং ভলিউম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্র্যাক হয়। নির্দিষ্ট থ্রেশহোল্ড পৌঁছালে সিস্টেম আপনাকে সিলভার টায়ারে আপগ্রেড করে এবং তখন থেকেই সুবিধাগুলো কার্যকর হয়।
মনে রাখবেন, টায়ার মেইনটেন করতে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ সক্রিয় থাকতে হবে। এক মাস নিষ্ক্রিয় থাকলে টায়ার একধাপ নেমে আসতে পারে — তবে আবার সক্রিয় হলে দ্রুত ফিরে আসা যায়।
এই মাসে ডায়মন্ড টায়ারে পৌঁছানো সকল নতুন সদস্য বাড়তি ৫% ক্যাশব্যাক পাবেন — প্রথম দুই সপ্তাহের জন্য।
হাই রোলার প্রোগ্রাম নিয়ে যা জানতে চান